হিমান পত্রিকা নিয়ে দু-চার কথা

বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। কিন্তু আজকালকার দিনের বাঙালি ছেলেমেয়েরা তাদের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার দেখায় না। আশ্চর্য এখানেই লাগে যে পাশের দেশের মানুষ যখন ভাষা আন্দোলন করে শহিদ হতে কসুর করেনি তখন আমাদের দেশের বাঙালিরা তাদের মাতৃভাষাকে সতীনসম মনে করে। এইভাবে চলতে চলতে দেখা যাবে এদেশ থেকে বাংলা ভাষায় কথা বলার মানুষই বিলুপ্ত। সত্যিই কি তাই চান? আসুন না আমরা সমবেতভাবে চেষ্টা করে দেখি বাংলা ভাষাটিকে বাঁচিয়ে রাখার। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, ছড়া, রম্যরচনা, অনুবাদ, আলোচনা, কমিকস, প্রবন্ধ শিশুকিশোর উপযোগী যে-কোনো ধরনের লেখা বা কাজই আমাদের ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন।
জীবনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জীবনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় – কেন এত জনপ্রিয় ছিলেন

সাত সুরে ভেসে যেতে  কোন মানুষ না চায়ে ? আর সেই সুরের যাদু যদি নিজ কণ্ঠে থাকে তাহলে ত আর কথাই নেই । সাক্ষাৎ মা সরস্বতী তার কণ্ঠে বিরাজমান ছিলেন, তার সুর ছুঁয়ে যেত বিশ্ববাসীর হৃদয়কে,এমন এক কিংবদন্তী শিল্পীর নাম সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ।

দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারঃ ‘ঠাকুরমার ঝুলি’র কিংবদন্তি স্রষ্টা - সিমন রায়

 

প্রায় প্রতিটি বাঙালিই শৈশবের কোনো না কোনো সময় ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ পড়ে থাকবেন। অনেকে টেলিভিশনে অ্যানিমেশনেও দেখেছেন, সেই ‘ঠাকুরমার ঝুলি’র স্রষ্টা হিসেবেই বিখ্যাত বাঙালি শিশুসাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার। বাংলার রূপকথার জনক ছিলেন তিনিই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই ‘ঠাকুরমার ঝুলি’র ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন। অথচ এই বইটিই প্রকাশের জন্য প্রথমে কোনো প্রকাশকই রাজি হননি, ফলে নিজেই প্রেস খুলে নিজের বই প্রকাশ করেন দক্ষিণারঞ্জন। তাঁর লেখা সব বইয়ের প্রচ্ছদও আঁকতেন তিনি নিজেই। আজকের বাঙালি শিশু হ্যারি-পটারে মজেছে, দক্ষিণারঞ্জন এবং তাঁর ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ বিস্মৃতপ্রায়।

আমাদের পত্রিকার জনপ্রিয় পোস্টগুলি